WHAT’S HOT NOW

ads header

Business

Search This Blog

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Blog Archive

Life & style

Games

Sports

» » » যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদে আবাসিক হোটেলের আড়ালে রমরমা দেহ ব্যবসা: প্রশাসনের নিরবতায় জনমনে উদ্বেগ

 নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

রাজধানীর অন্যতম প্রবেশদ্বার ও ব্যস্ততম এলাকা যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ। এই এলাকার একাধিক আবাসিক হোটেলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিংবা যোগসাজশে দীর্ঘ দিন ধরে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এই অবৈধ কার্যক্রমের কারণে এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং যুবসমাজ নৈতিক অবক্ষয়ের মুখে পড়ছে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, উত্তর যাত্রাবাড়ী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকার বেশ কিছু আবাসিক হোটেলে (যেমন-হোটেল আয়শা মনি আবাসিক, হোটেল রংধনু আবাসিক, হোটেল প্রজাপতি আবাসিক, হোটেল নিউ গার্ডেন, হোটেল আকাশ, হোটেল আল-সাফিসহ আরও কয়েকটি) গোপন সংকেত ও দালালের মাধ্যমে এই ব্যবসা চলছে। মহাসড়ক ও ফুটওভার ব্রিজের আশেপাশে সন্দেহভাজন যুবকদের হাতে বিভিন্ন নামের ও মোবাইল নম্বর সম্বলিত ভিজিটিং কার্ড বিলি করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কার্ডে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করলে 'সার্ভিস' দেওয়ার কথা বলে নির্দিষ্ট হোটেলে ডাকা হয়। বিশেষ করে দূরপাল্লার যাত্রী এবং তরুণ প্রজন্মকে টার্গেট করে এই চক্রটি সক্রিয় রয়েছে। সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই দৃশ্য দেখছে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, এই ব্যবসা পরিচালনার পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং যাত্রাবাড়ী থানার অসাধু কিছু পুলিশ সদস্যকে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ দিয়েই এই ব্যবসা বছরের পর বছর টিকিয়ে রাখা হয়েছে। মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান চালানো হলেও মূল হোতারা সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় দোকানদার বলেন, "এখানে প্রকাশ্যে দালালি চলে। পুলিশ আসে, আবার চলেও যায়, কিন্তু ব্যবসা বন্ধ হয় না। আমরা পরিবার নিয়ে এই এলাকায় চলাফেরা করতে লজ্জা পাই।"

বিষয়টি নিয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, "আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। কোনো সুনির্দিষ্ট হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অসামাজিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।"

তবে সচেতন মহলের মতে, শুধু ধরপাকড় নয়, বরং এসব হোটেলের লাইসেন্স বাতিল এবং মূল সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় না আনলে এই ব্যাধি দূর করা সম্ভব নয়। তরুণ প্রজন্মকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও সামাজিক সচেতনতা জরুরি।

অনুসন্ধান চলমান…


«
Next
This is the most recent post.
»
Previous
This is the last post.

No comments:

Leave a Reply